একটি ওয়েবসাইট হতে পারে আপনার সারা জীবনের স্থায়ী এবং নির্ভরশীল উপার্জনের মাধ্যম।

Earn money from online

আমরা সবাই অনলাইনে টাকা ইনকামের স্বপ্ন দেখতে খুব ভালোবাসি, কিন্তু কেউই সেই স্বপ্নকে বাস্তবে  পরিণত করার জন্য পর্যাপ্ত পরিশ্রম করি না। তাই হয়তো আমাদের স্বপ্নগুলো স্বপ্নই থেকে যায়। আপনাদের সেই স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রূপান্তর করার লক্ষ্যেই আজ এই পোস্টে নিয়ে এসেছি। পুরো পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, আশা করি অনলাইন আর্নিং সম্পর্কে আপনার পূর্ণাঙ্গ ধারণা হয়ে যাবে।

 আমাদের বাস্তব জীবনের মতই অনলাইনে আয় এর দুটি রাস্তা রয়েছে। একটি হলো ব্যবসা আর অপরটি হলো চাকরি। আপনি চাইলে চাকরি বা ব্যবসা দুটোই করতে পারেন। আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব অনলাইনে একটি স্থায়ী আয়ের উৎস সম্পর্কে, যা একবার করলে আপনি সারা জীবন বসে ইনকাম করতে পারবেন। আর সেই উৎসটি হচ্ছে একটি স্থায়ী ওয়েবসাইট। দেখি কিভাবে সেটি সম্ভব?


 আসলে ওয়েবসাইট কি? মানুষ কেন ওয়েবসাইট তৈরি করে?

আমরা ওয়েবসাইট বলতে সাধারণত কোন ওয়েব সার্ভারে রাখা পেজ, পোস্ট, পিকচার, ভিডিও ইত্যাদি ডকুমেন্টস এর সমষ্টিকেই বুঝি। এটা হতে পারে বিভিন্ন কোম্পানি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ  ইত্যাদির ওয়েবসাইট। এর ফলে সেই প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির সেবা সম্পর্কে মানুষ সহজেই জানতে পারে। এই ওয়েবসাইট গুলো হচ্ছে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট। 

কিন্তু এই প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট এর বাইরে রয়েছে অনেক ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট।  এ ধরনের সাইটগুলোতে সাধারণত বিভিন্ন ট্রিক, ট্রিপস, বিনোদন, আইডিয়া, খবর ইত্যাদি বিষয়ে শেয়ার করা হয়। এই সাইট গুলো সাধারণত শখের বশে বা চিরস্থায়ী ইনকাম এর উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে। 

 যেমন ধরুন, বাংলা ভার্সনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে টেকটিউনস।  কিন্তু এটা কোন প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট নয়, এটি একটি টেকনোলজি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট বা ব্লগ আর এখানে বিভিন্ন মানুষ টেকনোলজি সম্পর্কে তাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা  বা জ্ঞান শেয়ার করে থাকে।  প্রতিদিন হাজারো মানুষ কিছু শেখার জন্য এই সাইটে আসে এবং এই ওয়েবসাইটটি তা থেকে হাজার হাজার ডলার আর্ন করে। 

 এভাবে আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তাহলে আপনার বাকি জীবন এই ওয়েবসাইটের উপর নির্ভর করেই কাটিয়ে দিতে পারবেন, যদি আপনি বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন তো!


 কিভাবে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করবেন?

 প্রথমেই বলে নিচ্ছি, নতুনদের মাঝে ব্লগ বা ওয়েবসাইট নিয়ে অনেক কনফিউশন থাকে। আসলে ব্লগ হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট যেখানে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিনিয়ত কিছু লেখা হয়। সেটা যেকোন বিষয় হতে পারে। ওয়েবসাইট হচ্ছে এক ধরনের সাইট যেখানে সাধারণত চেঞ্জ কম হয়ে থাকে এবং লেখালেখির ব্যাপার কম থাকে। আপনি ব্লগ বা ওয়েবসাইট যেটাই করেন না কেন দুটো থেকে অবশ্যই ট্রাফিক আনার মাধ্যমে প্রচুর আয় করতে পারবেন।

 ওয়েবসাইট থেকে আয় করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে নিচে তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলঃ

১.বিজ্ঞাপন থেকে আয়ঃ

আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি ট্রাফিক আসবে আপনি তাদেরকে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন  দেখিয়ে আপনি তত বেশী উপার্জন করতে পারবেন।  ট্রাফিক হল আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা মানুষ যারা প্রতিদিন আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকে।

যেমন:- প্রায় সময়ই আমরা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ওই সাইটের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কোম্পানি বা পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখে থাকি। আমাদেরকে বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে ওই সাইটের মালিক এডসেন্স থেকে আয় করে থাকেন। যেটা আপনিও আপনার নিজের সাইটের মাধ্যমে করতে পারবেন।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে এই কোম্পানিগুলোর বিজ্ঞাপন পাব কোথা থেকে? এ ধরনের বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য অনলাইন জগতে একটি জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে “গুগল এডসেন্স”। গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে বিজ্ঞাপন নিবেন এবং কিভাবে টাকা উপার্জন করবেন তা নিয়ে পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ! এখন মাত্র একটি ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করার কিছু প্রসেস সম্পর্কে জানবো।

২.নিজের কোন পণ্য বিক্রি করে আয়ঃ 

আপনার ওয়েবসাইটকে যদি জনপ্রিয় করে তুলতে পারেন এবং তাতে প্রতিদিন ভালো মানের ট্রাফিক আনতে পারেন। তাহলে আপনার নিজের তৈরি ওয়েবসাইট থেকে আপনি আপনার বিভিন্ন পণ্য সেল করতে পারবেন। তবে আপনার বিক্রি করার মতো কোন প্রোডাক্ট থাকলেই সম্ভব অন্য ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।

৩.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয়ঃ

 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল প্রায়ই অনেকটা সেলসম্যান এর মতই। যেখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সেল করে দিতে পারবেন এবং প্রতিটি সেল এর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ  কমিশন আপনি পাবেন। নিজে ব্লগ সাইট তৈরি করে অনেকেই এ ধরনের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন চাইলে আপনিও খুব সহজেই এমন টা করতে পারেন।

৪. ইমেইল কালেকশনঃ

মোটামুটি আমরা সবাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য, বই, গান, ভিডিও ইত্যাদি ডাউনলোড করে থাকি। তবে মাঝে মাঝে দেখা যায় বিভিন্ন সাইট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করতে গেলেই ইমেইল এড্রেস দিতে বলে। আর ইমেইল এড্রেস দিলেই আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল টিকে তারা ডাউনলোড করতে দেয়। এই মেইল নেয়ার কারন টা কি আপনি জানেন?  কারণ তারা আপনার দেয়া ইমেইল এড্রেসটি সংরক্ষণ করে রাখে। যতজন ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু ডাউনলোড করতে যাবে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ইমেইল নিয়ে সাইট কর্তৃপক্ষ তার সংরক্ষণ করে রাখেন।

 ধরুন, এইভাবে ১০,০০০ জনের ইমেইল ওই ওয়েবসাইটের মালিকের কাছে সংরক্ষিত হল। এবার তিনি  সেই ১০,০০০ জনের ইমেইল অ্যাড্রেস পৃথিবীর বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটার দের কাছে অনেক দামে বিক্রি করতে পারবেন। কারণ অধিকাংশ ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য অ্যাক্টিভ ইমেইল এর প্রয়োজন পড়ে থাকে। এজন্য বিভিন্ন ইমেইল মার্কেটার তাদের মারকেটিং পারপাসে সেই ওয়েবসাইটের কর্তৃপক্ষের কাছে ই-মেইল অ্যাড্রেস গুলো কিনে নেয়। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে আপনিও এভাবে ইমেইল এড্রেস সংরক্ষণ এর মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারেন।

 কিন্তু মূল কথা হলো, আপনার ওয়েবসাইটে যদি ট্রাফিক বা ভিজিটর বেশি পরিমাণে না থাকে তাহলে এগুলো করা সম্ভব না। যে সাইটে ভিজিটর বেশি থাকবে না সেই সাইটে কেউই টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিতে চাইবে না। তাই যেকোনো ওয়েবসাইট চিরস্থায়ী  আয়ের উৎস তখনই হবে যখন সে সাইটে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভিজিট করবে। আর কোন ওয়েবসাইটকে সেই পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের।


 তাহলে কোনটা করবেন? ওয়েবসাইট নাকি  ব্লগ?

 অনেকেই ওয়েবসাইট এবং ব্লক করা নিয়ে প্রচুর কনফিউশনে থাকেন।  আর এই কনফিউশন হওয়ার কারণ হলো ব্লগ আর ওয়েবসাইটের পার্থক্য টা অনেকেই বোঝে না। যদিও ব্লগ আর ওয়েবসাইটের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই,  ব্লগ হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন লেখালেখি পাবলিশ করা হয়। আর সকল ব্লগ কেই একটি ওয়েবসাইট বলা চলে। আপনার যদি পার্সোনাল বিজনেস বা বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার উদ্দেশ্য থাকে তাহলে ব্লক সাইট বানানোই আপনার জন্য উত্তম হবে। কেননা, আপনার ব্লগ সাইটে প্রতিদিন বিভিন্ন লেখার জন্য নতুন নতুন ভিজিটর আপনার সাইটে আসবে।

তাছাড়া, ব্লগিং হচ্ছে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় প্রেক্ষাপটের মধ্যে একটি। এর মাধ্যমে আপনি আপনার  বিভিন্ন তথ্য ও উপদেশ, প্রশ্ন বা পরামর্শ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পারেন।


তাহলে কি বিষয়ে ব্লগ/ওয়েবসাইট  তৈরি করবেন?

কি করবেন? কোন বিষয়ে ব্লগ করবেন? এটি খুঁজে না পাওয়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর এই সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে  তাড়াহুড়ো করা। আমরা যখনই কোন সফলতার গল্প পড়ি কখনোই হুট করে তেমন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। কিন্তু সেরকম হওয়ার জন্য যে পরিশ্রম করা প্রয়োজন তা করি না। জীবনে কিছু করতে গেলে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম এবং ধৈর্য ধরতে হবে। অন্যথায় ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। তাই ধৈর্য না ধরে হুট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না যে আপনি কোন বিষয়ে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। ধৈর্য নিয়ে একটু ভাবুন, দেখুন, শুনুন, বুঝার চেষ্টা করুন তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নিন যে_ আপনি কোনটা করবেন এবং কিভাবে করবেন!!!


ওয়েবসাইট বা ব্লক নির্বাচন করার ক্ষেত্রে কিছু টিপসঃ

ওয়েবসাইট বা ব্লগ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে নিচের টিপসগুলো আপনাকে  অনেকটা হেল্প করবে বলে আশা করি…..!

যে বিষয়ে আপনি ভাল জানেন এবং যে জিনিসটার উপর আপনার ইন্টারেস্ট আছে সেই জিনিস টা নিয়েই আপনি আপনার ওয়েবসাইটি তৈরি করে ফেলুন।  আপনি যেটাই জানেন না কেন সেটা নিয়েই আপনার লেখালেখি শুরু  করেন। সুন্দর মানসিকতা আর লেখার কোয়ালিটি ভালো থাকলে আপনি  আপনি খুব তাড়াতাড়ি আপনার সাইটটিকে গুগল রেংকিং এ আনতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। হাজারো মানুষ আছেন যারা তাদের শখের বিষয় গুলো নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে এবং লেখালেখি করে, আর তা থেকে হাজার হাজার ডলার আয় করছেন তারা। তো আপনি কেন পারবেন না? আপনাকে পারতেই হবে এমন মনোভাব নিয়ে কাজ শুরু করুন।

 আপনি চাইলে আপনার পড়াশোনার বিষয়টি নিয়ে ওয়েবসাইট বানাতে পারেন। এতে আপনার পড়াশোনার চর্চা হবে অপরদিকে উপার্জন হবে। যেমন ধরুন, আপনি ইংলিশ বিভাগের ছাত্র। খুব ভাল ইংরেজি পারেন। তাহলে আপনি তা নিয়ে লেখালেখির চর্চা শুরু করে দিতে পারেন। ইংরেজি নিয়ে ভালো কনটেন্ট লিখুন, দেখবেন তা পড়ার জন্য ভিজিটরা প্রতিদিন আপনার সাইট একবার হলেও ভিজিট করছেন। আপনি নিয়মিত পোস্ট লিখতে থাকুন, প্রতিদিন না হলেও তিনদিন পর একটি পোস্ট লিখুন অথবা সপ্তাহে একটি পোস্ট লিখুন। এবং সেই পোস্টগুলোকে মানুষের কাছে ইন্টারেস্টিং করে তোলার চেষ্টা করুন।যেন আপনার লেখা থেকে মানুষ প্রতিদিন নতুন কিছু জানতে পারে। আপনার লেখা যাদের পছন্দ হবে দেখবেন এক সময় তারা আপনার পার্মানেন্ট ভিজিটর হয়ে যাবে এবং প্রতিদিন নিজে থেকেই আপনার সাইটে ভিজিট করবে।

 শুধু ইংরেজি নয়।  বারবার বলছি আপনার  যে বিষয়ে জ্ঞান আছে তা নিয়ে আপনি কনটেন্ট লেখার চেষ্টা করুন। তবে এক্ষেত্রে কখনোই হতাশায় ভোগবেন না। কি লিখবো! কেমন হবে! কেউ পছন্দ করবে কিনা! এসব হতাশা দূরে রাখুন।আপনি ভালো লিখতে পারবেন এবং আপনার লেখা মানুষ পছন্দ করবে এই ভরসায় ভালোভাবে লেখার চেষ্টা করুন। আমি যত লিখবেন আপনার লেখা দিন দিন ততই আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে, একসময় ঠিকই আপনি আপনার  ব্লগ কে আকর্ষণীয় এবং জনপ্রিয় করে তুলতে পারবেন।

 আপনি যদি এভাবে একটি ভালো মানের ব্লগ সাইট দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারেন তবে আপনি সেখান থেকে বিজ্ঞাপনসহ উপরে উল্লেখিত উপায়সমূহ অবলম্বন করে আপনার নিজের ওয়েবসাইটটিকে চির স্থায়ী উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন।

 কত দিনে আপনি আপনার সাইট থেকে উপার্জন করতে পারবেন তার কোন সঠিক উত্তর নেই। তবে এটা বলা যায়, আপনি যদি ভালো পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার সাইটটিকে ভালো অবস্থানে আনতে পারবেন। তবে এর থেকে আরও অনেক কম সময়ে একটি সাইটকে ভালো পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব এবং অনেকেই নিয়ে আসছেন। আবার কেউ কেউ এক বছরের মধ্যেও সাইটের কোন উন্নয়ন করতে পারছেন না। তাই আপনার সফলতার বিষয়টা আপনার পরিশ্রম এবং মেধার উপর নির্ভরশীল। আর আপনি যদি আপনার মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে ওয়েবসাইটটিকে রেঙ্ক করাতে পারেন তাহলে এই  সাইটটি হতে পারে আপনার সোনার ডিম পাড়া হাঁস!!!


তাহলে কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন?

 আশা করি একটি ওয়েবসাইট এর গুরুত্ব এবং তা থেকে উপার্জন করার কৌশল আপনাদেরকে বোঝাতে পেরেছি। যাই হোক এখন সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই আপনার হাতে। আজ এ পর্যন্তই শেষ করছি। আগামী পর্বে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এবং সেই সাইটকে রেংক করাতে কি কি লাগে এবং কিভাবে কাজ করলে আপনি সাকসেস হবেন সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। পরবর্তী পোস্ট পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে আজ এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ!



পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন এবং শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিতে ভুলবেন না ধন্যবাদ!

5 thoughts on “একটি ওয়েবসাইট হতে পারে আপনার সারা জীবনের স্থায়ী এবং নির্ভরশীল উপার্জনের মাধ্যম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *